ওবায়দুল কাদের উইকিপিডিয়া
ওবায়দুল কাদের উইকিপিডিয়া
| ওবায়দুল কাদের | |
|---|---|
sundarbannewsbd.blogspot.com | |
| মন্ত্রী, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় (বাংলাদেশ) | |
| কাজের মেয়াদ ডিসেম্বর ২০১১ – বর্তমান | |
| সংসদীয় এলাকা | নোয়াখালী-৫ |
| ব্যক্তিগত বিবরণ | |
| জন্ম | ১ জানুয়ারি ১৯৫২ কোম্পানিগঞ্জ, নোয়াখালী, পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমানে- বাংলাদেশ) |
| রাজনৈতিক দল | বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ |
| শিক্ষা | বিএ (রাষ্ট্রবিজ্ঞান) |
| প্রাক্তন শিক্ষার্থী | ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় |
| পেশা | রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, লেখক |
| ওয়েবসাইট | www |
পরিচ্ছেদসমূহ
জন্ম ও শিক্ষা
ছাত্র রাজনীতি
তিনি কলেজ জীবন থেকে ছাত্র রাজনীতি শুরু করেন। ১৯৬৬ সালে ৬ দফা আন্দোলন এবং ১৯৬৯ সালে গণআন্দোলন ও ছাত্রদের ১১ দফা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।[৩] তিনি ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন এবং কোম্পানীগঞ্জ থানা মুজিব বাহিনীর (বিএলএফ) অধিনায়ক ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন সময়ে একাধিকবার কারা বরণ করেন। ১৯৭৫ এর পর এক নাগাড়ে দীর্ঘ আড়াই বছর কারাগারে ছিলেন। কারাগারে থাকা অবস্থায় তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন এবং পরপর দুইবার ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন।[৪]লেখালেখি
তিনি দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতা ও লেখালেখির সাথে সম্পৃক্ত থাকেন।[৪] দৈনিক বাংলার বাণী পত্রিকার সহকারী সম্পাদক হিসাবে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। রচনা করেছেন আটটি গ্রন্থ। গ্রন্থগুলি হলো :- Bangladesh: A Revolution Betrayed, (যা ১৯৭৬ সালে কলকাতা মনীষা পাবলিশার্স প্রকাশ করেছে)
- বাংলাদেশের হৃদয় হতে
- পাকিস্তানের কারাগারে বঙ্গবন্ধু
- এই বিজয়ের মুকুট কোথায়
- তিন সমুদ্রের দেশে
- মেঘে মেঘে অনেক বেলা
- রচনা সমগ্র
- কারাগারে লেখা অনুস্মৃতি: যে কথা বলা হয়নি।
- নির্বাচিত কলাম ও
- গাংচিল
রাজনৈতিক জীবন
ওবায়দুল কাদের ১২ জুন ১৯৯৬ এর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নোয়াখালী-৫ আসন থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ২৩ জুন সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন এবং একই দিনে যুব ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। তিনি ২০০১ সালের ১৫ জুলাই পর্যন্ত প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।[৩][৪] ২০০২ সালের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন থেকে ২০০৯-এর সম্মেলন পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রথম যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন।[৪] ১/১১ পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে তিনি ২০০৭ সালের ৯ মার্চ জরুরি বিধিতে গ্রেফতার হয়ে ১৭ মাস ২৬ দিন কারাবরণ করেন। ২০০৮ সালের ৫ সেপ্টেম্বর তিনি জামিনে মুক্ত হন। কারাগারে থাকাকালে কারাজীবনের বর্ণনা দিয়ে “অনুস্মৃতি : যে কথা বলা হয়নি” লেখেন। তিনি ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর পুনরায় দ্বিতীয়বারের মত নোয়াখালী-৫ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং তথ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। ২০০৯ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে তিনি দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য নির্বাচিত হন।[৪] ২০১৬ সালের ২৩ অক্টোবর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২০ তম জাতীয় সম্মেলনে তিনি ২০১৬-২০১৯ মেয়াদে দলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।[৫]বর্তমান
২০১৫ সালের ২৮ নভেম্বর বঙ্গভবনে মহাজোট সরকারের মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। বর্তমানে (২০১২- অদ্যবধি) তিনি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী।[৬] তিনি কিছুদিনের জন্য রেলমন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও পালন করেন। আওয়ামীলীগ এর ২০তম জাতীয় সম্মেলন এ তিনি সাধারণ সম্পাদক এর দায়িত্বে নির্বাচিত হয়েছেন। [৭]তথ্যসূত্র
- "রেলের অতিরিক্ত দায়িত্ব পেলেন ওবায়দুল কাদের"। দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২৩ অক্টোবর ২০১৬।
Comments
Post a Comment